বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

গ্রামবাসীর অর্থায়নে নির্মিত হলো ভাসমান সেতু

দুই ইউনিয়নের সংযোগ সেতুটি ভেঙে যাওয়ার দুই মাস পর গ্রামবাসীর অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান সেতু নির্মাণ করেছে ভুক্তভোগী দুই গ্রামের মানুষ। এতে আমতলীর মহিষডাঙ্গা ও চাওড়ার কাউনিয়াসহ দু’ইউনিয়নের ৮ গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীদের চলাচল সহজতর হলো।

উপজেলা প্রকৌশলী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার আমতলী সদর ও চাওড়া ইউনিয়নের সংযোগ স্থাপনের জন্য ২০০৬ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ১ কোটি টাকা ব্যয়ে চাওড়া নদীর ওপর একটি আয়রন সেতু নির্মাণ করে। গত ২৫ জুন সকালে সেতুটি ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। এতে চাওড়া ও আমতলী সদর ইউনিয়নের ৮ গ্রামের প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্লাস্টিকের ড্রাম, বাঁশ ও কাঠ দিয়ে নির্মাণ করা ভাসমান সেতু দিয়ে চলাচল করছে দুই গ্রামের মানুষ। এ সময় কথা হয় মহিষডাঙ্গা গ্রামের আ. লতিফ মালাকার সাথে। তিনি বলেন, দু’ইউনিয়নের সংযোগ স্থাপনকারী চাওড়া খালের সেতুটি ভেঙে পড়ায় ৮ গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এতদিনে সেতুটি মেরামত না হওয়ায় আমরা দুইপাড়ের মানুষ চাঁদা তুলে চলাচলের জন্য কাঠ ও ড্রাম দিয়ে ভাসমান সেতুটি নির্মাণ করেছি।

চাওড়া কাউনিয়া গ্রামের মো. ফারুক গাজী বলেন, ভাসমান সেতু নির্মাণ করায় এখন দু’গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীদের চলাচল সহজতর হলো।

ভাসমান সেতু নির্মাণে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করা দু’গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান, সেতু ভেঙে পড়ায় আমাদের দু’গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্ট করেছে। এজন্য চাঁদা তুলে একটি ভাসমান সেতু নির্মাণ করেছি।

আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদর চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, গ্রামবাসীর এমন উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। তাছাড়া নিজ অর্থায়নে সেতু নির্মাণ অবশ্যই প্রশংসনীয়।

উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে বলেন, ভেঙে যাওয়া সেতুটির স্থানে একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া মাত্র কাজ শুরু করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com